হলিউড অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি আত্মহত্যা করলেন 

Jul 14, 2026 - 18:13
Sep 4, 2026 - 02:23
 0  5
হলিউড অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি আত্মহত্যা করলেন 

ব্রডওয়ে ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি মারা গেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) তার মৃত্যুর কথা জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। মৃত্যুকালে ৪৪ বছর বয়স হয়েছিল এ অভিনেতার। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানায়, গত ১০ জুলাই আত্মহত্যা করেন এই অভিনেতা। পরে তার সহ-অভিনেতা রব ম্যাকব্লুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।
 
এ অভিনেতা সহ-অভিনেতার মৃত্যুতে ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘তাকে ছাড়া বিশ্বজুড়ে এই অঙ্গনের মানুষরা আর আগের মতো থাকবে না। আমরা তোমাকে ভালোবাসি জশ গ্রিসেত্তি। এটি একটি অপূরণীয় ক্ষতি।’ জশ গ্রিসেত্তিকে ছাড়া অভিনয়জগত আর আগের মতো থাকবে না। তাকে সবাই গভীরভাবে মিস করবেন। মৃত্যুর আগে নিজের শেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জশ জানান, ব্যক্তিগত কারণে একটি নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আগেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।
আরও বলেন,  

আর তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই ওই ফেস্টিভ্যাল কর্তৃপক্ষ শোক প্রকাশ করে লিখেছে, ‘জশ গ্রিসেত্তি অত্যন্ত প্রেমময় ও যত্নশীল একজন মানুষ ছিলেন। তিনি তার বন্ধু, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের প্রতি নিবেদিনপ্রাণ ছিলেন। পরিচিত সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীরা গভীরভাবে মিস করবে তাকে।’

টেলিভিশনেও সফল ছিলেন জশ। তিনি দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেজেল, দ্য নাইটস অব প্রসপারিটি, নার্স জ্যাকি এবং দ্য গুড ফাইট-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্র ও সংগীতনির্ভর নাটকের পরিচালনাও করেছেন। ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় জন্ম নেওয়া জশ গ্রিসেত্তি ছোটবেলা থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে হলিউড ও ব্রডওয়ের অভিনয় অঙ্গনে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।